মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

ময়মনসিংহ  বন বিভাগের পরিচিতি

ময়মনসিংহ বন বিভাগ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী গজারীবন (শালবন) সমৃদ্ধ একটি বন বিভাগ। এই বন বিভাগ যাত্রা শুরু করে ঢাকা-ময়মনসিংহ বন বিভাগ নামে। ১৯৫০ সনে ঢাকা-ময়মনসিংহ বন বিভাগ পৃথক করণের মাধ্যমে দুইটি পৃথক স্বাধীন বন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। শুরুতে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর বনাঞ্চলও ময়মনসিংহ বন বিভাগের অন্তর্ভূক্ত ছিল। যা ১৯৮৮ সনে সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মধুপুর বনাঞ্চল টাঙ্গাইল বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়।বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা তথা বর্তমান ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলার বন ব্যবস্থাপনা ময়মনসিংহ বন বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হইতেছে। অত্র বন বিভাগে সরকারী গেজেটভুক্ত মোট বন ভূমির পরিমাণ ৭১,২৮৭.৯৮/ একর, ৪ ও ৬ ধারায় গেজেট বিজ্ঞপ্তিত বনভূমির পরিমান ৪৩,৩৪৪.২২/ একর এবং সংরক্ষিত বনভূমির পরিমাণ২৭,৯৪২.৯৮/একর। তম্মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৪ ও ৬ ধারায় গেজেট বিজ্ঞপ্তিত বনভূমি পরিমাণ ১৭,৮৩৮.৭৮/ একর এবং সংরক্ষিত বনভূমির পরিমাণ ২১,০২১.৩৪/ একর। এ সকল বনভূমির বেশির ভাগই তৎকালীন জমিদারদের নিজস্ব সম্পত্তি ছিল। জমিদারগণ উক্ত বনভূমি বৈজ্ঞানিক উপায়ে ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন। ১৯৫০ সালে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার সাথে সাথে এসকল বনভূমি সরকার হুকুম দখল করেন এবং সংরক্ষিত বনভূমি গঠনের সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

এই বনাঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো কান্দা ও টিলা বেষ্টিত প্রাকৃতিক শালবন। বতর্মানে দারিদ্র বিমোচনের  লক্ষ্যে বন নির্ভর জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বনায়নের আওতায় ব্যবস্থাপনা করা হইতেছে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও ইকোট্যুরিজমকে প্রাধান্য দিয়ে অত্র বন বিভাগের আওতায় কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ও মধুটিলা ইকো-পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হইয়াছে। 

ছবি



Share with :
Facebook Twitter